ভারতের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব-কে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি

ভারতের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব দাবি করেছেন, ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে মাঠে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করার জন্য বিসিসিআই তাঁকে আমন্ত্রণ করে নাই। ১৯৮৩ সালে ভারত প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতছিলো। সেই বিশ্বকাপ দলের স্কোয়াডে থাকা অন্যান্য খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে উপস্থিত থাকতে চেয়েছিলেন কপিল দেব।

যদিও খুব বেশী চাওয়া না। নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ, সেই বিশ্বকাপে নিজেদের দল এত ভালো পারফর্ম করে ফাইনালে উঠছে। এখন, সেই ফাইনাল খেলা মাঠে থেকে উপভোগ করতে চাইছেন একজন সাবেক অধিনায়ক। কিন্তু, বিসিসিআই ওনার অনুরোধ রাখে নাই।

আমাকে কেউ আমন্ত্রণ জানায়নি, তারা আমাকে ফোন করেনি, সেইজন্য আমিও যাইনি

by Kapil Dev

অথচ, এই ফাইনাল খেলায় মাঠে উপস্থিত ছিলো সৌরভ গাঙ্গুলী, হরভজন সিং-সহ অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার। ভিআইপি তালিকার মধ্যে ছিলো বলিউডের শাহরুখ খান, শাহরুখ খানের ফুল ফ্যামিলি, আয়শুমান খুরানা, জন আব্রাহাম, দিপীকা পাড়ুকোন, রনবীর সিং, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, কিয়ারা আদভানি সহ বি-ক্যাটাগরি, সি-ক্যাটাগরির আর্টিস্টরা। যাদের নামও অনেকে জানে না।

আর, ফ্যামিলি কোটায় আনুশকা শর্মা, রিতিকা সাজদেহ, আথিয়া শেট্টি, রিভাবা জাদেজা থেকে শুরু করে বর্তমান স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের ফ্যামিলি মেম্বাররা। এদেরকে ছাড়া, বাকিদেরকে ক্যামেরায় দেখানো হয় নাই, কারণ এরা তেমন পপুলার না। তাদেরকে কেউ চিনে না। এখন প্রশ্ন হলো, ১৯৮৩ বিশ্বকাপ দলের অধিনায়ক এবং তার টিম মেম্বারদের ভিআইপি লিস্টে কি রাখা যেতো না? এত এত ভিআইপির মধ্যে ওনারা কি থাকতে পারতেন না?

তবে, আমার পার্সোনালি যে বেপারটা খারাপ লাগছে, অন্তত মহেন্দ্র সিং ধোনিকে তো ইনভাইটেশন দেয়াই যেতো। ২০১১ বিশ্বকাপজয়ী ক্যাপ্টেন ইভেন, ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল অধিনায়ক। কতো কতো ম্যাচ শুধুমাত্র মহেন্দ্র সিং ধোনির ক্যাপ্টেন্সিতে ভারত জিতছে, এর কোনো নির্দিষ্ট হিসেব নাই। এই লেভেলের লিজেন্ডরা যখন মেগা ইভেন্টে ইনভাইটেশন পায় না, তখন ব্যাপারটা কেমন যেন অকওয়ার্ড দেখায়। তাহলে কি একজন ক্রিকেটারের যখন সময় শেষ হয়ে যায়, তখন ওনার সাথে সবধরনের সম্পর্কও শেষ? ব্যাপারটা এমন?

বিস্তারিত ভিডিওতে…

You Might Also Like

Leave a Reply